বেণুবর্ণা অধিকারী
বন্ধুরা আমরা দুই ধরণের লতা -গুল্ম কে বরাবরই একই গাছ বলে চিহ্নিত করি। আপনাদের এই দুটো গাছ নিয়ে যাতে আর কোন সন্দেহ না হয় তাই এই পোস্ট দিলাম।
একটা গাছ হলো গুল্ম আর একটা হলো লতা।
ফুলেও অনেক পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও যে কারণে আমরা ভুল করি সেটা হলো এর পাতার গড়ণে।
পাতার আকৃতি কিছুটা কাছাকাছি হলেও গুল্মের পাতা খসখসে আর লতার পাতা কিন্তু তৈলাক্ত।
গুল্মের নাম হলোঃ বড় শিয়ালমুতি, কুকশিম, Devil weed, Siam weed, Common
floss flower, Jack in the bush, Triffid weed, Paraffin weed, Christmas
bush, Camfhur grass. এর বৈজ্ঞানিক নাম
Chromolaena odorata
(শিয়ালমুতির ছবিসূত্র: Kalyani Banerjee)

আর অপরটি আসাম লতা/ জার্মান লতা, রিফিউজি লতা বা বিকাশলতা।
আদিনিবাস আমেরিকা, কালক্রমে সারা পৃথিবীতে আধিপত্য গড়েছে।
এটাকে সাধারণত বলা হয় "Mile -a-minute" লতা। তার মানে এই লতা খুবই দ্রুত বাড়ে। বৈজ্ঞানিক নাম Mikania cordata/ Micrantha, পরিবার হলো : Asteraceae কোন কোন অঞ্চলে এর পাতা দিয়ে স্যূপ খাওয়া হয়।
জার্মানি লতা মিকানিয়া গণভুক্ত উদ্ভিদ, যারা কয়েক’শ প্রকার সপুষ্পক লতাজাতীয় উদ্ভিদ। মিকানিয়া গণভুক্ত প্রায় ৪৫০ ধরণের প্রজাতি রয়েছে। বাংলাদেশে Mikania kicrantha এবং Mikania Scandens এই দুটি প্রজাতি বেশি দেখা যায়। জার্মানি লতা বলতে মূলত এই দুই প্রজাতিকে বোঝানো হয়।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন