সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

রমনায় বসন্তবরণ

বেণুবর্ণা অধিকারী
বসন্তের পরশ নিতে আজ রমনায় গিয়েছিলাম, যেতেই হয়। মস্তিষ্কের ভেতরে যে গেঁথে আছে এমনভাবেই আমি তারে পারি না এড়াতে৷ স্বল্প সময়ের ফুল মাধবির হাতছানিতেই মূলত যাই--" ধাঁয় যেন মোর সকল ভালবাসা প্রভু তোমার পানে, তোমার পানে, তোমার পানে।" এই প্রভু হলো আমার বেঁচে থাকার রসদ আমার প্রকৃতি।

রমনায় যে গাছে ফুল দেখা যায় এখন সেগুলো হলো পলাশ, মাধবি, গামারি, কাঞ্চন, গ্লিরিসিডিয়া, বিউমনশিয়া। এখন শ্বেতশিমুলের শেষ সময়। আর লাল শিমুল রমনায় দেখিনি। আগে লাল মান্দার দেখা যেত। অরুনোদয়ের গেট দিয়ে ঢুকে সোজা দুইপাশে যে পলাশ আর মান্দার ছিল এখন কিছুই আর অবশিষ্ট নেই। তার স্থলে শুধু পাম আর পাম।

এ সময় কুসুম আর নাগেশ্বরের কচি পাতা দেখলে ফুল বলে ভ্রম হয়। তারাও পলাশ আর শিমুলের রঙে নিজেদের রাঙিয়েছে। আর মনিমালার পাতায় বিদায়ের সুর এখন।Image may contain: plant, flower, outdoor and natureImage may contain: flower, plant, nature and outdoor

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

শুষনি শাক চেনেন কি?

শুষনি শাক (Marsilea minuta)  হাইপারটেনশন ও ঘুমজনিত সমস্যার মহৌষধ হিসেবে শুসনি শাক ব্যবহার করেন ময়মনসিংহের গারো ও কোচ উপজাতিরা। তারা এর রস ব্যবহার করেন কাশি ও শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত রোগের ওষুধ হিসেবে। এটিকে শাক হিসেবেও রান্না করে খান তারা। ডঃ অসীমা চাটার্জী এই শাক থেকে এপিলেপ্সির ঔষধ আবিস্কারের পেপার বের করেছেন। বাংলাদেশের সর্বত্রই এ উদ্ভিদটি পাওয়া যায়। অনেকে শুষনী আর আমরুলি শাককে একই মনে করেন। আসলে শুষনি শাকে পাতা ৪ ভাজ, কিন্তু আমরুলি হলো ৩। আরেকটা পার্থক্য হলো শুষনী শাক টক স্বাদযুক্ত নয়, কিন্তু আমরুলি টক। এর বৈজ্ঞানিক নাম Marsilea minuta  আমরুল শাক থেকে শুষনি শাক পাতা আকারে বড়। তাছাড়া আমরুল লতানে ছোট গুল্ম উদ্ভিদ হলেও শুষনি সেরকমটি মোটেও নয়। শুষনি শাক

বৃক্ষকথা, Brikkho-Kotha: পাদাউকের প্রতি ভালবাসা

বৃক্ষকথা, Brikkho-Kotha: পাদাউকের প্রতি ভালবাসা : পাদাউক গাছ মুগ্ধ হতাম যার বিশালতা আর পাতার বিন্যাসে, কল্পনা ছিল তার ফুল না জানি কেমন হবে? ভর দুপুরে একরাশ রৌদ্র গায়ে মেখে ছুটে গেলাম সেই...

আমার কানাইবাঁশি

বেণুবর্ণা অধিকারী যে রঙ ঈর্ষনীয় অনেক ফুলের কাছে। অথচ সে খুবই ক্ষুদ্র, অবহেলিত। " ফুল বলে ধন্য আমি, ধন্য আমি মাটির 'পরে" এটা কানছিঁড়া/ কানাইবাঁশি/ঘাসফুল/কানশিরা/ কানদুলি/ কানাইলতা। এর বৈজ্ঞানিক নাম Commelina benghalensis. নানাবিধ ঔষধি গুণসম্পন্ন এই ক্ষুদে গাছ। মূলতঃ জীবানু নাশক গুল্ম। কানের ইনফেকশনে বা চোখের অঞ্জলি হলে এর রস করে দিলে উপশম হয়, গাছকে একটু গরম করে তারপর রস বের করে দিতে হয়। এছাড়া কুষ্ঠ, একজিমা, দাদ রোগেও এর প্রচলন আছে। পোকার আক্রমনের প্রদাহে এর রস লাগালে দ্রুত আরোগ্য হয়। Commelinaceae পরিবারের গাছ। অনেকে একে জোনাকি শাক বা পাতা বলে থাকে। নরম কাণ্ড বিশিষ্ট এই গাছ ছায়ায় নিজেদের কলোনী করে বাস করে। পাতার গোড়ায় ছোট্ট নীল ফুল আর এর পাতার সবুজতা মনকে সজীব করে। অনেকেই একে শাক হিসেবে খেয়ে থাকেন। তবে কি কারণে খান এবং খেতে কেমন জানিনা। এর আরো কোন ব্যবহার কি আছে?